| ᱥᱟᱱᱛᱟᱲᱤ (Santali) | বাংলা | English | हिन्दी | ଓଡ଼ିଆ | संस्कृत | Action |
|---|
The Santhals once had a far higher culture than at present; this can be traced in their language, which is uncommonly well developed, rich both in words and in forms. Their many old fables and songs indicate manners and customs and wise sayings, transmitted orally from generation to generation, pointing both to a language and occupation of the country before the Aryan invasion.
They have no single great chief around whom they gather, but live scattered in villages, each of which forms a little whole in itself. Each village has five officers: a head man or manjhi, a supervisor of youth, a herald or crier, a town priest and a country priest. The first two have each an assistant, making seven in all, but these are closely watched by certain townsmen chosen for the purpose. These officials, with some of the principal men, constitute the local court of justice, from which a case can be carried to a higher tribunal, presided over by the highest magistrate in the district the so-called pargana. The last has under its jurisdiction thirty to sixty villages, and forms a strong, connecting link between them.
Many heads of towns and other chosen men have seats in this superior court; but over these is the voice of the public assembly, which has in its hands the final decision, like a supreme court. These customs indicate a former culture far superior to their present, though they have always reserved a kind of representative or self-government.
BULLETIN OF THE ESSEX INSTITUTE, VOL. XIX
SALEM, MASS. Page - 99
PRINTED AT THE SALEM PRESS, 1888
Santali belongs to the agglutinative class of language, hence nearly every syllable is word, and every word is sentance.
SANTALI PRIMER, REV, F.T. COLE,1896
But in grammatical structure santali is as superior to the other as is sanskrit to its cognate languages.
A Grammer of The Santhal Language
Rev. L.O. Skrefsrud, M. A. S. B, 1873
In both languages to-day there is a tendency to disregard this fine grammatical distinction, yet its observance, even partially, in Basque and Santali is sound evidence of the antiquity of
a grammatical rule in prehistoric Kolarian grammar which was invented to discriminate carefully between persons and things, and things animate and inanimate. As samples of the confusion resulting in modern speech from this neglect of the rule, the following comparisons will suffice :
Sant. dharti-ren jat-ko = the nations of the world
Basq. niundu jende-a-k.
Sant. guju' umul-re = in the shadow of death
Basq. eriotza-ren itzal-e-a-n.
Sant. khar-ren bhidi = a sheep of the flock
Basq. arthalde-ko ardi.
BULLETIN OF The School of Oriental Studies,
London Institution. Page-153
The Dravidian and Indo-Chinese races in Lower Bengal, who still retain their original non-Aryan tongues—for example, the Kond and the Santali — speak languages purely agglutinative ; and it is practically certain that the Bengali masses of Dravidian and Indo- Chinese race spoke tongues akin to the Kond and Santali—that is, agglutinative tongues— before they adopted a corrupt Sanskrit vocabulary.
I have spoken of the relations of Sanskrit and Santali to Bengali, the first giving the substance, and the second the form, to the resultant speech.
By showing how the Sanskrit word is cast in the Santali mould, to produce Bengali, we may show the at work.
The academy.
A weekly review of literature, science, and art
July-December - 1892, Page No - 175
PUBLISHING OFFICE: 27, CHANCERY LANE, LONDON, W.C.
but in three languages in different parts of the world we find phenomena of a very different character. The Sontal language in Central India is described as being highly complicated yet strictly logical, possessing five voices, five moods, twenty-three tenses, three numbers, and four cases. The great Bantu languages of Africa, south of the Equator, are described by all who have studied them as rich, abounding in expressions which exhibit most delicate shades of thought, regular, exact, and precise, and sufficing from their own word-store to translate the whole Bible without the necessity of a single loan-word. What shall be said of the Turki language of Northern Asia, before it became diluted and poisoned with Indo-European and Semitic admixtures? Its accumulating and self-contained power was such that each word could develope into many hundred possible forms.’
THE QUARTERLY REVIEW, VOL. 180.
PUBLISHED IN JANUARY & APRIL, 1895.
LONDON: JOHN MURRAY, ALBEMARLE STREET.
Some hundred Sanskrit and Prakrit words are shown to be derived from the Proto-Munda branch of the Austro-Asiatic source. The term 'Proto-Munda' is used to indicate that the Munda languages had departed considerably from the Austro-Asiatic type of language as early as the Vedic period... a process of 'Dravidization' of the Munda tongues... contributing to the growth of the Indian linguistic leagu (sprachbund). Professor C.C. Berg had suggested that the Austro-Asiatic consonantal system had a relatively small number of phonemes with a wide range of possible realizations, the following sounds, for instance originally having constituted
one phoneme: d/t, dh/th, r, j/c, s, d./t., d.h/t.h, r., z./s. = y = l...
Santali evidences rhyme words, e.g. but.ra, gut.ra; dun.d.ga, mun.d.ga which may explain varying initial gutturals, dentals and labials in synonyms...
Another proto-Munda phenomenon inherited from prim. Austric is the nasalization and prenasalization of the consonants of a root. Thus ba-da (wa-da) may become ba-nda, ba-na, ma-da, ma-nda, ma-na...
the vowels are largely interchangeable...a very considerable amount (say some 40%) of the New Indo-Aryan vocabulary is borrowed from Munda, either via Sanskrit (and Prakrit), or via Prakrit alone, or directly from Munda;
wide-branched and seemingly native,
word-families of South Dravidian are of Proto-Munda origin; in Vedic and later Sanskrit, the words adopted have often been Aryanized, resp.
Sanskritized.
"In view of the intensive interrelations between Dravidian, Munda and Aryan dating from pre-Vedic times even individual etymological questions will often have to be
approached from a Pan-Indic point of view if their study is to be fruitful. It is hoped that this work may be helpful to arrive at this all-embracing view of the Indian languages, which is the
final goal of these studies."
Munda lexemes in Sanskrit (Munda Etyma edited by D. Stampe annexed)
[From F.B.J. Kuiper, Proto-Munda Words in Sanskrit, Amsterdam, Verhandeling der Koninklijke Nederlandsche Akademie Van Wetenschappen, Afd. Letterkunde, Nieuwe Reeks Deel Li, No. 3,
1948]
সাঁওতালদের একসময় বর্তমানের তুলনায় অনেক উচ্চতর সংস্কৃতি ছিল; তাদের ভাষার মধ্যেই তার পরিচয় পাওয়া যায়। তাদের ভাষা অত্যন্ত উন্নত, শব্দভাণ্ডার ও ব্যাকরণগত রূপ—উভয় দিক থেকেই সমৃদ্ধ। তাদের বহু প্রাচীন উপকথা ও গান থেকে এমন আচার-ব্যবহার, রীতিনীতি এবং জ্ঞানগর্ভ বাণীর পরিচয় মেলে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম মৌখিকভাবে প্রচারিত হয়েছে এবং যা আর্য আগ্রাসনের পূর্বে তাদের ভাষা ও দেশজ জীবনযাত্রার ইঙ্গিত বহন করে।
তাদের কোনো একক মহান প্রধান নেই; বরং তারা বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বাস করে, এবং প্রতিটি গ্রাম নিজেই একটি স্বতন্ত্র ছোট সমাজ গঠন করে। প্রতিটি গ্রামে পাঁচজন কর্মকর্তা থাকে—একজন প্রধান বা মাঝি, একজন যুবসমাজের তত্ত্বাবধায়ক, একজন ঘোষক বা বার্তাবাহক, একজন গ্রাম পুরোহিত এবং একজন দেশীয় পুরোহিত। প্রথম দুই কর্মকর্তার প্রত্যেকের একজন করে সহকারী থাকে, ফলে মোট সংখ্যা দাঁড়ায় সাতজন; তবে এদের কার্যকলাপ গ্রামের নির্বাচিত কিছু ব্যক্তি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে।
এই কর্মকর্তারা এবং গ্রামের কয়েকজন প্রধান ব্যক্তি মিলে স্থানীয় বিচারসভা গঠন করেন। কোনো মামলা সেখান থেকে উচ্চতর আদালতে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে, যেখানে জেলার সর্বোচ্চ বিচারক, তথাকথিত 'পরগানা', সভাপতিত্ব করেন। এই পরগানার অধীনে ত্রিশ থেকে ষাটটি গ্রাম থাকে এবং এটি গ্রামগুলোর মধ্যে একটি শক্তিশালী সংযোগসূত্র হিসেবে কাজ করে। বহু গ্রামের প্রধান এবং অন্যান্য নির্বাচিত ব্যক্তিরা এই উচ্চ আদালতে আসন গ্রহণ করেন; কিন্তু এদের সকলের ঊর্ধ্বে থাকে সাধারণ জনসমাবেশের মতামত, যার হাতেই থাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত—একটি সর্বোচ্চ আদালতের মতো। এই প্রথাগুলি তাদের অতীতের এমন এক সংস্কৃতির পরিচয় দেয়, যা বর্তমান অবস্থার তুলনায় অনেক উন্নত ছিল; যদিও তারা সবসময়ই এক ধরনের প্রতিনিধিত্বমূলক বা স্বশাসন ব্যবস্থা বজায় রেখেছিল।
BULLETIN OF THE ESSEX INSTITUTE, VOL. XIX
SALEM, MASS. Page - 99
PRINTED AT THE SALEM PRESS, 1888
যে কোনো জাতির অতীত ইতিহাস তাম্রফলক বা প্রস্তরলিপির চেয়েও গভীরভাবে খোদিত থাকে তার ভাষায়-সাঁওতালদের ঐতিহ্য যতই সামান্য এবং বন্ধ্যা হোক, তাদের ভাষা অনুসন্ধানের এক সমৃদ্ধক্ষেত্র । এইটি সেই শ্রেণীর ভাষা যেখানে একস্বরা শব্দমূলকে ভিত্তি করে সর্বনামগত বিভক্তি ও প্রত্যয় যোগে শব্দ বা ধাতুর রূপ পরিবর্তন করা হয়।চীনা ভাষা থেকে এইটি স্বতন্ত্র কারণ চীনা ভাষায় বিভক্তি ও প্রত্যয়গত গঠন পরিবর্তনের ব্যবস্থা নেই এবং তিন অক্ষর দ্বারা গোঠিত বিশিষ্ট ক্রিয়ামূল থেকে সুচিত সেমেটিয় ভাষার থেকে এর পার্থক্য আরো বেশি । যেহেতু এর মূল পদগুলি অনমনীয়, সেই কারণে দুই ধরনের অক্ষর বিশিষ্ট নমনীয় ভিত্তির ভাষাগুলির বিশাল পরিবার হতে এই ভাষা নির্বাসিত, আমাদের ভাষা এই পরিবারের অন্যতম এবং সংস্কৃত ভাষাতেই এর চরম বিকাশ |
কখনো লিখিত দলিলের স্বাভাবিক রক্ষণশীল প্রভাবাধীন না হওয়ার ফলে এবং বস্তুত কোনো গ্রকার লিখিত রূপ না থাকার ফলে বর্তমান প্রজন্মের সম্মুখে এই ভাষা-রূপে যা এসেছে, তা সেই প্রাচীন ভাষা নয় বরং প্রাচীন ভাষার এক বিকৃত, ছিন্ন-বিচ্ছিন ধ্বংসাবশেষ মাত্র । তবুও অতল অতীতের সাথে বর্তমানের সেতুবন্ধন রচনা করে এবং পাণিনি অপেক্ষা বহুগুণে জটিল ও অসংখ্য ব্যাকরণগত রূপ-বৈচিত্রের ইঙ্গিত জুগিয়ে, কোনোক্রমে জীবিত এই ভাষা আজও টিকে রয়েছে।
পরিশিষ্টে সাঁওতালি ব্যাকরণের এক রুপরেখা পাওয়া যাবে ; ভাষাবিজ্ঞান গবেষণার হাতিয়ারে সমৃদ্ধ যেসব পণ্ডিতরা সুযোগ সুবিধামতো কাজ করেন, এইটা হতে তারা ব্যাপকতর ও সঠিকতর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন। সাঁওতাল জাতি সম্বদ্ধে অনুসন্ধানে জনাকয় বিচ্ছিন্ন গবেষকের লব্ধ ফলাফলকে পরবর্তী পৃষ্ঠাগুলিতে একটি সাধারণ কেন্দ্রভূমিতে আনা হয়েছে ; এবং আমার কিছু সিদ্ধান্ত যদি ভূলও প্রমাণিত হয়, তবু যারা এইগুলিকে আরো ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারবেন, তাদের জন্য সংগৃহীত তথ্যগুলি রয়ে যাবে ।
সাঁওতাল ভাষাবিচারে প্রথম লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, এই ভাষার কোনো বর্ণ বা লিখিত অক্ষর না থাকা সত্বেও সংস্কৃত বর্ণমালা এর সকল ধ্বনি নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করে । বর্ণমালা যতই বিশদ হোক, একজাতির বর্ণমালা কখনো অন্য জাতির ভাষার উপযোগী হয় না। সেই কারণেই অদ্যাবধি রচিত সর্বাপেক্ষা বিশদ বর্ণমালাগুলির মধ্যে অন্যতম ফারসি আরবি বর্ণমালাতেও সংস্কৃত স্বরবর্ণের অন্তত দুইটি, সংস্কৃত অনুনাসিক বর্ণের দুইটি এবং সম্ভবত সংস্কৃত ‘ভ’ ধ্বনির সমতুল্য কিছু নেই। অপরদিকে, সংস্কৃত বর্ণমালাতেও সেমেটিয় ভাষার পাঁচটি ‘Z’ ধ্বনির সমতুল্য কিছু নেই এবং সেই কারণেই সেইগুলি প্রকাশ করার জন্য একমাত্র ‘জ’ ধ্বনি ব্যবহারের গ্রাম্যতা করতে বাধ্য হয়। এইটি ছাড়াও, কড়া সেমেটিয় মহাপ্রাণ বর্ণের সমতুল্য কিছু নেই, দ্বিতীয় ‘ক’ ধ্বনি (কাফ) বা ‘সায়েন’ ও ‘গায়েন’ বর্ণ দুটিরও সমান্তরাল কিছু নেই ।
প্রাচীন কাহিনী অনুযায়ী, প্রথমে প্রাচীন ১৬টি সেমেটিক অক্ষর নিয়ে গঠিত গ্রীক বর্ণমালাকে গ্রীকভাষা প্রকাশ করার জন্য অতিরিক্ত চারিটি চিহ্ন ধার করতে হয় ; এবং যদি কেউ মুল ১৬টি অক্ষর ব্যবহার করে একলাইন হোমার লিখে সেটি পাঠ করতে চেষ্টা করে, তখন একজাতির ভাষা অন্য জাতির জন্য গঠিত বর্ণমালা দ্বারা প্রকাশ করার অসুবিধা সে সহজেই উপলব্ধি করবে। সাধারণভাবে সংস্কৃত বর্ণমালাও ভারতীয় আদিবাসীদের কথ্য ভাষাকেও ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে না; বস্তুত আদিবাসী ভাষাগুলির মধ্যে সবচেয়ে সযত্বে পরীক্ষিত, সবচেয়ে বহুল প্রচারিত অন্যসকল আদিবাসী ভাষাগুলির প্রতিনিধিত্বকারী যে ভাষা, তাতেও বহু উচ্চারণ রয়েছে যা দেবনাগরী অক্ষরে প্রকাশ করা যায় না। দক্ষিণের আদিবাসীদের শুধু যে আর্যদের অজ্ঞাত বহু ধ্বনি রয়েছে তাই নয়, আর্য বর্ণমালায় খুব সুক্ষভাবে প্রকাশিত অন্যান্য ধ্বনির প্রয়োজনীয়তা তারা অনুভব করে ।
বর্তমানে আমরা জানি যে, প্রাচীন সংস্কৃত বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের ঘাটতি ছিল, এবং এই দেশের প্রাচীন বাসিন্দাদের কথা প্রকাশ করার জন্য বহু নতুন বর্ণের প্রয়োজন দেখা দেয় । চূড়ান্তরূপে বিকশিত সংস্কৃত ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে একমাত্র ‘ভ’ ছাড়া সবগুলি কোনোরূপ ঘাটতি বা প্রয়োজনীয়তা ব্যতিরেকে সাওতালি ভাষার সাথে নিখুঁতভাবে খাপ খায়, এই ঘটনা হতে এইটিই সম্ভবপর প্রতীয়মান হয়,আর্য আগন্তুকরা প্রধানত যে অনার্য জাতির সম্মুখীন হয় এবং যাদের থেকে তাঁদের ব্যঞ্জনবর্ণের পুর্তি ঘটে, তারা হয় বর্তমান সাঁওতালদের পূর্বপুরুষ, নতুবা সাঁওতাল পূর্বপুরুষদের সগোত্র কোনো জাতি ছিল । অতি প্রাচীন প্রাকৃতে যে বহু সাঁওতালি শব্দ পাওয়া যায়, এই ঘটনায় এ অনুমান আরো বিশ্বাসযোগ্য হয়।
গ্রাম বাংলার ইতিকথা
ডবলিউ. ডবলিউ. হাণ্টার-প্রণীত
'অ্যানালস অফ রুরাল বেঙ্গল’ এর বঙ্গানুবাদ
অনুবাদ-অসীম চট্টোপাধ্যায়
সাঁওতালি ভাষা সংযোজনমূলক (agglutinative) ভাষাশ্রেণীর অন্তর্গত; ফলে প্রায় প্রতিটি অক্ষরাংশই একটি শব্দ, এবং প্রতিটি শব্দই একটি বাক্যস্বরূপ।
SANTALI PRIMER, REV, F.T. COLE,1896
কিন্তু ব্যাকরণগত গঠনে সাঁওতালি অন্যান্য ভাষার তুলনায় ততটাই উৎকৃষ্ট, যতটা সংস্কৃত তার সমগোত্রীয় ভাষাগুলির তুলনায়।
A Grammer of The Santhal Language
Rev. L.O. Skrefsrud, M. A. S. B, 1873
বর্তমানে উভয় ভাষাতেই এই সূক্ষ্ম ব্যাকরণগত পার্থক্য উপেক্ষা করার প্রবণতা দেখা যায়; তবুও বাস্ক এবং সাঁওতালি ভাষায় এই নিয়মের আংশিক অনুসরণও এই সত্যের শক্তিশালী প্রমাণ যে, প্রাগৈতিহাসিক কোলারীয় ব্যাকরণে ব্যক্তি ও বস্তু, এবং সচেতন ও জড় বস্তুর মধ্যে সতর্কভাবে পার্থক্য করার জন্য একটি ব্যাকরণগত নিয়ম উদ্ভাবিত হয়েছিল। আধুনিক কথ্যভাষায় এই নিয়ম উপেক্ষার ফলে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, তার উদাহরণস্বরূপ নিচের তুলনাগুলি যথেষ্ট—
Sant. dharti-ren jat-ko = পৃথিবীর জাতিসমূহ
Basq. niundu jende-a-k
Sant. guju' umul-re = মৃত্যুর ছায়ায়
Basq. eriotza-ren itzal-e-a-n
Sant. khar-ren bhidi = পালের একটি ভেড়া
Basq. arthalde-ko ardi
BULLETIN OF The School of Oriental Studies,
London Institution. Page-153
নিম্নবঙ্গের দ্রাবিড় ও ইন্দো-চীনা জাতিসমূহ, যারা এখনও তাদের মূল অনার্য ভাষাগুলি ধরে রেখেছে—যেমন কন্দ এবং সাঁওতালি—তারা সম্পূর্ণ সংযোজনমূলক ভাষায় কথা বলে। এবং কার্যত নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, দ্রাবিড় ও ইন্দো-চীনা বংশোদ্ভূত বাঙালি জনগোষ্ঠীও বিকৃত সংস্কৃত শব্দভাণ্ডার গ্রহণের পূর্বে কন্দ ও সাঁওতালির নিকটাত্মীয়, অর্থাৎ সংযোজনমূলক ভাষায় কথা বলত।
আমি বাংলা ভাষার সঙ্গে সংস্কৃত ও সাঁওতালির সম্পর্কের কথা বলেছি—প্রথমটি বাংলা ভাষাকে উপাদান দিয়েছে, আর দ্বিতীয়টি দিয়েছে তার রূপ।
সংস্কৃত শব্দ কীভাবে সাঁওতালি ছাঁচে গঠিত হয়ে বাংলা ভাষা সৃষ্টি করেছে, তা দেখিয়েই আমরা এই প্রক্রিয়ার কার্যপ্রণালী বুঝতে পারি।
The academy.
A weekly review of literature, science, and art
July-December - 1892, Page No - 175
PUBLISHING OFFICE: 27, CHANCERY LANE, LONDON, W.C.
কিন্তু পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলের তিনটি ভাষায় আমরা একেবারেই ভিন্ন প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য দেখতে পাই। মধ্যভারতের সাঁওতাল ভাষাকে অত্যন্ত জটিল অথচ সম্পূর্ণ যুক্তিসংগত বলে বর্ণনা করা হয়েছে; এতে রয়েছে পাঁচটি বাচ্য, পাঁচটি ভাব, তেইশটি কাল, তিনটি বচন এবং চারটি কারক। বিষুবরেখার দক্ষিণে আফ্রিকার বৃহৎ বান্টু ভাষাসমূহকে যারা অধ্যয়ন করেছেন, তারা সকলেই এগুলিকে সমৃদ্ধ ভাষা হিসেবে বর্ণনা করেছেন—এমন ভাষা যা সূক্ষ্মতম চিন্তার পার্থক্য প্রকাশে সক্ষম, নিয়মিত, নির্ভুল ও সুস্পষ্ট; এবং যেগুলি নিজেদের শব্দভাণ্ডারের সাহায্যেই সম্পূর্ণ বাইবেল অনুবাদ করতে সক্ষম, একটি বিদেশি শব্দ ধার না নিয়েও।
উত্তর এশিয়ার তুর্কি ভাষা সম্পর্কে কী বলা যায়, ইন্দো-ইউরোপীয় ও সেমেটিক মিশ্রণে দূষিত ও দুর্বল হয়ে পড়ার পূর্বে? তার শব্দসংযোজন ও আত্মনির্ভর শক্তি এমন ছিল যে, প্রতিটি শব্দ থেকেই শত শত সম্ভাব্য রূপ বিকশিত হতে পারত।
THE QUARTERLY REVIEW, VOL. 180.
PUBLISHED IN JANUARY & APRIL, 1895.
LONDON: JOHN MURRAY, ALBEMARLE STREET.
প্রায় একশত সংস্কৃত ও প্রাকৃত শব্দকে অস্ট্রো-এশীয় উৎসের প্রোটো-মুন্ডা শাখা থেকে উদ্ভূত বলে দেখানো হয়েছে। ‘প্রোটো-মুন্ডা’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে এই বোঝাতে যে, বৈদিক যুগের মধ্যেই মুন্ডা ভাষাগুলি অস্ট্রো-এশীয় ভাষার মূল ধরন থেকে যথেষ্ট বিচ্যুত হয়ে গিয়েছিল। মুন্ডা ভাষাগুলির এক ধরনের “দ্রাবিড়ীকরণ” প্রক্রিয়া চলছিল, যা ভারতীয় ভাষিক সংযোগক্ষেত্র (sprachbund) গঠনে অবদান রেখেছিল।
প্রফেসর সি. সি. বার্গ মত প্রকাশ করেছিলেন যে, অস্ট্রো-এশীয় ব্যঞ্জনধ্বনি পদ্ধতিতে তুলনামূলকভাবে অল্প সংখ্যক ধ্বনিমূল (phoneme) ছিল, কিন্তু সেগুলির সম্ভাব্য উচ্চারণরূপ ছিল ব্যাপক। উদাহরণস্বরূপ, নিম্নলিখিত ধ্বনিগুলি মূলত একটি মাত্র ধ্বনিমূল গঠন করতঃ
d/t, dh/th, r, j/c, s, d./t., d.h/t.h, r., z./s. = y = l …
সাঁওতালি ভাষায় অন্ত্যমিলযুক্ত শব্দের প্রমাণ পাওয়া যায়, যেমন— but.ra, gut.ra; dun.d.ga, mun.d.ga — যা সমার্থক শব্দে ভিন্ন প্রারম্ভিক কণ্ঠ্য, দন্ত্য ও ওষ্ঠ্য ধ্বনির উপস্থিতি ব্যাখ্যা করতে পারে।
প্রাথমিক অস্ট্রিক উৎস থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত আরেকটি প্রোটো-মুন্ডা বৈশিষ্ট্য হলো ধাতুর ব্যঞ্জনধ্বনির নাসিক্যকরণ ও প্রাক্-নাসিক্যকরণ। যেমন ba-da (wa-da) রূপান্তরিত হয়ে ba-nda, ba-na, ma-da, ma-nda, ma-na হতে পারে।
স্বরধ্বনিগুলিও অনেকাংশে পরস্পর বিনিমেয়। নতুন ইন্দো-আর্য শব্দভাণ্ডারের একটি অত্যন্ত বড় অংশ (ধরা যাক প্রায় ৪০%) মুন্ডা ভাষা থেকে গৃহীত— কখনো সংস্কৃত ও প্রাকৃতের মাধ্যমে, কখনো শুধু প্রাকৃতের মাধ্যমে, আবার কখনো সরাসরি মুন্ডা ভাষা থেকে।
দক্ষিণ দ্রাবিড় ভাষার বিস্তৃত ও আপাতদৃষ্টিতে দেশীয় শব্দগোষ্ঠীগুলিও প্রোটো-মুন্ডা উৎসজাত। বৈদিক ও পরবর্তী সংস্কৃতে গৃহীত শব্দগুলি প্রায়ই আর্যায়িত বা সংস্কৃতায়িত হয়েছে।
“প্রাক্-বৈদিক যুগ থেকেই দ্রাবিড়, মুন্ডা ও আর্য ভাষার মধ্যে নিবিড় আন্তঃসম্পর্কের কারণে, এমনকি পৃথক শব্দতাত্ত্বিক প্রশ্নগুলিকেও ফলপ্রসূভাবে অধ্যয়ন করতে হলে সমগ্র ভারতীয় দৃষ্টিকোণ (Pan-Indic point of view) থেকে বিচার করতে হবে। আশা করা যায়, এই কাজ ভারতীয় ভাষাগুলিকে একটি সর্বাঙ্গীন দৃষ্টিভঙ্গিতে উপলব্ধি করতে সহায়তা করবে—যা এই গবেষণাগুলির চূড়ান্ত লক্ষ্য।”
সংস্কৃতে মুন্ডা শব্দসমূহ (ডি. স্ট্যাম্প সম্পাদিত Munda Etyma সংযোজন)
[এফ. বি. জে. কুইপার, Proto-Munda Words in Sanskrit, আমস্টারডাম, Verhandeling der Koninklijke Nederlandsche Akademie Van Wetenschappen, বিভাগ: সাহিত্য, নতুন সিরিজ, খণ্ড LI, নং ৩, ১৯৪৮]
संतालों की संस्कृति कभी वर्तमान की तुलना में कहीं अधिक उन्नत थी; इसका प्रमाण उनकी भाषा में मिलता है, जो अत्यन्त विकसित तथा शब्दों और व्याकरणिक रूपों—दोनों में समृद्ध है। उनकी अनेक प्राचीन कथाएँ और गीत ऐसे रीति-रिवाजों, सामाजिक व्यवहारों और ज्ञानपूर्ण कथनों का संकेत देते हैं, जो पीढ़ी दर पीढ़ी मौखिक रूप से संचारित होते रहे हैं और जो आर्य आक्रमण से पूर्व उनकी भाषा तथा देशीय जीवन-पद्धति की ओर संकेत करते हैं।
उनका कोई एक महान प्रधान नहीं है; बल्कि वे विभिन्न गाँवों में बिखरे हुए रहते हैं, और प्रत्येक गाँव अपने आप में एक छोटा स्वतंत्र समुदाय बनाता है। प्रत्येक गाँव में पाँच अधिकारी होते हैं—एक प्रधान या मांझी, युवाओं का एक पर्यवेक्षक, एक उद्घोषक या संदेशवाहक, एक ग्राम पुजारी तथा एक देश पुजारी। पहले दो अधिकारियों के एक-एक सहायक होते हैं, जिससे कुल संख्या सात हो जाती है; किन्तु इन पर गाँव के कुछ चुने हुए लोग कड़ी निगरानी रखते हैं।
ये अधिकारी तथा कुछ प्रमुख व्यक्ति मिलकर स्थानीय न्यायसभा का गठन करते हैं। किसी मामले को वहाँ से एक उच्च न्यायाधिकरण में ले जाया जा सकता है, जिसकी अध्यक्षता जिले के सर्वोच्च अधिकारी, तथाकथित "परगना", द्वारा की जाती है। परगना के अधिकार क्षेत्र में लगभग तीस से साठ गाँव आते हैं, और वह उनके बीच एक सशक्त जोड़ने वाली कड़ी का कार्य करता है। अनेक गाँवों के प्रधान और अन्य चुने हुए व्यक्ति इस उच्च न्यायालय में स्थान प्राप्त करते हैं; किन्तु इन सबसे ऊपर जनसभा की आवाज़ होती है, जिसके हाथ में अंतिम निर्णय रहता है, मानो वह सर्वोच्च न्यायालय हो। ये परम्पराएँ उनके पूर्वकालीन ऐसे सांस्कृतिक स्तर का संकेत देती हैं, जो उनकी वर्तमान स्थिति की तुलना में कहीं अधिक उन्नत था; यद्यपि उन्होंने सदैव एक प्रकार की प्रतिनिधिक अथवा स्वशासन व्यवस्था को सुरक्षित रखा।
BULLETIN OF THE ESSEX INSTITUTE, VOL. XIX
SALEM, MASS. Page - 99
PRINTED AT THE SALEM PRESS, 1888
किसी भी जाति का अतीत इतिहास ताम्रपत्रों या शिलालेखों की अपेक्षा कहीं अधिक गहराई से उसकी भाषा में अंकित रहता है। संतालों की परम्परा चाहे जितनी अल्प और निर्जीव प्रतीत हो, उनकी भाषा अनुसंधान का एक अत्यन्त समृद्ध क्षेत्र है। यह उन भाषाओं की श्रेणी में आती है जिनमें एकाक्षरी मूल शब्दों के आधार पर सर्वनामात्मक विभक्तियों और प्रत्ययों को जोड़कर शब्दों अथवा धातुओं के रूप परिवर्तित किए जाते हैं। चीनी भाषा से यह इस कारण भिन्न है कि चीनी में विभक्ति और प्रत्ययजनित रूप-परिवर्तन की व्यवस्था नहीं है; और तीन-अक्षरी विशिष्ट क्रियामूलों से निर्मित सेमेटिक भाषाओं से इसका अंतर और भी अधिक है। चूँकि इसके मूल पद कठोर और अपरिवर्तनीय हैं, इसलिए यह द्व्यक्षरी लचीले आधार वाली भाषाओं के विशाल परिवार से बाहर स्थित है; हमारी भाषाएँ उसी परिवार की सदस्य हैं और संस्कृत भाषा में उसका सर्वोच्च विकास दिखाई देता है।
कभी भी लिखित दस्तावेजों के स्वाभाविक संरक्षणवादी प्रभाव के अधीन न रहने के कारण, और वस्तुतः किसी प्रकार की स्थायी लिखित परम्परा न होने के कारण, वर्तमान पीढ़ी के सामने जो भाषा-रूप उपस्थित हुआ है, वह वह प्राचीन भाषा नहीं, बल्कि उस प्राचीन भाषा का एक विकृत, खंडित और विखण्डित अवशेष मात्र है। फिर भी, अतीत की अथाह गहराइयों और वर्तमान के बीच सेतु का निर्माण करते हुए, तथा पाणिनि से भी कहीं अधिक जटिल और असंख्य व्याकरणिक रूप-विविधताओं की ओर संकेत करते हुए, यह भाषा किसी प्रकार आज भी जीवित बनी हुई है।
परिशिष्ट में संताली व्याकरण की एक रूपरेखा दी जाएगी; भाषावैज्ञानिक अनुसंधान के उपकरणों से समृद्ध विद्वान अवसर मिलने पर इससे कहीं अधिक व्यापक और अधिक शुद्ध निष्कर्ष निकाल सकेंगे। संताल जाति के संबंध में कुछ विखण्डित शोधकर्ताओं द्वारा प्राप्त निष्कर्षों को आगामी पृष्ठों में एक सामान्य केन्द्रभूमि में संकलित किया गया है; और यदि मेरे कुछ निष्कर्ष गलत भी सिद्ध हों, तब भी वे तथ्य, जिन्हें मैंने संकलित किया है, उन लोगों के लिए उपयोगी बने रहेंगे जो इन्हें अधिक अच्छी तरह से कार्य में ला सकेंगे।
संताली भाषा के अध्ययन में सर्वप्रथम जो विशेषता ध्यान आकर्षित करती है, वह यह है कि इस भाषा की अपनी कोई लिपि या लिखित अक्षर न होने पर भी संस्कृत वर्णमाला इसकी सभी ध्वनियों को अत्यन्त शुद्ध रूप से व्यक्त कर सकती है। कोई भी वर्णमाला चाहे जितनी विस्तृत क्यों न हो, एक जाति की वर्णमाला दूसरी जाति की भाषा के लिए पूर्णतः उपयुक्त नहीं होती। इसी कारण, आज तक निर्मित सबसे विस्तृत वर्णमालाओं में से एक फ़ारसी-अरबी वर्णमाला में भी संस्कृत के कम से कम दो स्वर, संस्कृत के दो अनुनासिक वर्ण तथा संभवतः संस्कृत के ‘भ’ ध्वनि के समतुल्य कोई ध्वनि नहीं मिलती। दूसरी ओर, संस्कृत वर्णमाला में भी सेमेटिक भाषाओं की पाँच ‘Z’ ध्वनियों के समतुल्य कुछ नहीं है, और इसी कारण उन्हें व्यक्त करने के लिए केवल ‘ज’ ध्वनि का उपयोग करने जैसी ग्राम्यता करनी पड़ती है। इसके अतिरिक्त कठोर सेमेटिक महाप्राण ध्वनियों का भी कोई समकक्ष नहीं है; दूसरे ‘क’ ध्वनि (क़ाफ़) अथवा ‘सायेन’ और ‘गायेन’ वर्णों के भी समानान्तर ध्वनि संस्कृत में नहीं मिलती।
प्राचीन परम्पराओं के अनुसार, आरम्भ में केवल १६ सेमेटिक अक्षरों से निर्मित यूनानी वर्णमाला को यूनानी भाषा व्यक्त करने के लिए अतिरिक्त चार चिह्न उधार लेने पड़े थे; और यदि कोई व्यक्ति मूल १६ अक्षरों का प्रयोग कर होमर की एक पंक्ति लिखकर उसे पढ़ने का प्रयास करे, तो वह सहज ही अनुभव कर सकेगा कि एक जाति की भाषा को दूसरी जाति के लिए निर्मित वर्णमाला द्वारा व्यक्त करना कितना कठिन है। सामान्यतः संस्कृत वर्णमाला भी भारतीय आदिवासियों की बोलियों को ठीक प्रकार से व्यक्त नहीं कर सकती; वस्तुतः आदिवासी भाषाओं में जो भाषा सबसे अधिक सावधानी से परीक्षित और सबसे अधिक प्रचारित है, तथा जो अन्य सभी आदिवासी भाषाओं का प्रतिनिधित्व करती है, उसमें भी अनेक ऐसे उच्चारण हैं जिन्हें देवनागरी अक्षरों में व्यक्त नहीं किया जा सकता। दक्षिण के आदिवासियों के पास केवल आर्यों के लिए अपरिचित अनेक ध्वनियाँ ही नहीं हैं, बल्कि वे उन ध्वनियों की आवश्यकता भी अनुभव करते हैं जिन्हें आर्य वर्णमाला अत्यन्त सूक्ष्मता से व्यक्त करती है।
आज हम जानते हैं कि प्राचीन संस्कृत वर्णमाला में व्यंजनों की कमी थी, और इस देश के प्राचीन निवासियों की वाणी को व्यक्त करने के लिए अनेक नए वर्णों की आवश्यकता पड़ी। पूर्णतः विकसित संस्कृत व्यंजनों में केवल ‘भ’ को छोड़कर शेष सभी संताली भाषा के साथ बिना किसी कमी या अतिरिक्त आवश्यकता के पूर्णतः मेल खाते हैं। इस तथ्य से यही सम्भावना प्रकट होती है कि आर्य आगन्तुकों का जिन अनार्य जातियों से मुख्यतः सामना हुआ और जिनसे उनके व्यंजनभंडार की पूर्ति हुई, वे या तो वर्तमान संतालों के पूर्वज थे अथवा संताल-पूर्वजों से सम्बद्ध कोई निकटवर्ती जाति थी। अति प्राचीन प्राकृत में अनेक संताली शब्दों का पाया जाना इस अनुमान को और अधिक विश्वसनीय बनाता है।
ग्राम बंगाल की इतिकथा
डबल्यू. डबल्यू. हाण्टार-प्रणीत
'एनाल्स ऑफ रूरल बंगाल’ का हिन्दी अनुवाद
अनुवाद- AI
संताली भाषा संयोगात्मक (Agglutinative) भाषाओं की श्रेणी में आती है; इसलिए लगभग प्रत्येक अक्षरांश एक शब्द होता है, और प्रत्येक शब्द अपने आप में एक वाक्य के समान होता है।
SANTALI PRIMER, REV, F.T. COLE,1896
आज दोनों भाषाओं में इस सूक्ष्म व्याकरणिक भेद की उपेक्षा करने की प्रवृत्ति दिखाई देती है; फिर भी बास्क और संताली में इस नियम का आंशिक पालन भी इस बात का सशक्त प्रमाण है कि प्रागैतिहासिक कोलारियन व्याकरण में व्यक्तियों और वस्तुओं, तथा चेतन और जड़ पदार्थों के बीच सावधानीपूर्वक भेद करने के लिए एक व्याकरणिक नियम विकसित किया गया था। आधुनिक भाषण में इस नियम की उपेक्षा से उत्पन्न भ्रम के उदाहरण के रूप में निम्न तुलनाएँ पर्याप्त हैं—
Sant. dharti-ren jat-ko = संसार की जातियाँ
Basq. niundu jende-a-k
Sant. guju' umul-re = मृत्यु की छाया में
Basq. eriotza-ren itzal-e-a-n
Sant. khar-ren bhidi = झुंड की एक भेड़
Basq. arthalde-ko ardi
BULLETIN OF The School of Oriental Studies,
London Institution. Page-153
निम्न बंगाल की द्रविड़ और इंडो-चीनी जातियाँ, जिन्होंने अभी तक अपनी मूल अनार्य भाषाओं को सुरक्षित रखा है—उदाहरणार्थ कोंड और संताली—पूर्णतः संयोगात्मक भाषाएँ बोलती हैं। और यह लगभग निश्चित है कि द्रविड़ तथा इंडो-चीनी मूल के बंगाली जनसमूह भी विकृत संस्कृत शब्दावली अपनाने से पहले कोंड और संताली से मिलती-जुलती, अर्थात संयोगात्मक भाषाएँ बोलते थे।
मैंने बंगाली भाषा के साथ संस्कृत और संताली के संबंध की चर्चा की है—पहली ने बंगाली को उसकी सामग्री प्रदान की, और दूसरी ने उसका रूप।
यह दिखाकर कि संस्कृत शब्द किस प्रकार संताली साँचे में ढलकर बंगाली का निर्माण करते हैं, हम इस प्रक्रिया की कार्यविधि को समझ सकते हैं।
The academy.
A weekly review of literature, science, and art
July-December - 1892, Page No - 175
PUBLISHING OFFICE: 27, CHANCERY LANE, LONDON, W.C.
किन्तु विश्व के विभिन्न भागों की तीन भाषाओं में हमें एक बिल्कुल भिन्न प्रकार की विशेषता दिखाई देती है। मध्य भारत की संताली भाषा को अत्यन्त जटिल किन्तु पूर्णतः तार्किक बताया गया है; इसमें पाँच वाच्य, पाँच भाव, तेईस काल, तीन वचन और चार कारक हैं। भूमध्यरेखा के दक्षिण की अफ्रीकी महान बंटू भाषाओं को जिन लोगों ने अध्ययन किया है, वे सभी उन्हें अत्यन्त समृद्ध बताते हैं—ऐसी भाषाएँ जो विचारों की अत्यन्त सूक्ष्म छायाओं को व्यक्त करने में सक्षम हैं, नियमित, सटीक और स्पष्ट हैं, तथा अपने स्वयं के शब्दभंडार से सम्पूर्ण बाइबिल का अनुवाद करने में सक्षम हैं, बिना किसी विदेशी शब्द को ग्रहण किए।
उत्तरी एशिया की तुर्की भाषा के बारे में क्या कहा जाए, उस समय की जब वह इंडो-यूरोपीय और सेमेटिक मिश्रणों से पतित और दूषित नहीं हुई थी? उसकी संचयी और आत्मनिहित शक्ति ऐसी थी कि प्रत्येक शब्द से सैकड़ों संभावित रूप विकसित हो सकते थे।
THE QUARTERLY REVIEW, VOL. 180.
PUBLISHED IN JANUARY & APRIL, 1895.
LONDON: JOHN MURRAY, ALBEMARLE STREET.
लगभग एक सौ संस्कृत और प्राकृत शब्दों को ऑस्ट्रो-एशियाई स्रोत की प्रोटो-मुंडा शाखा से व्युत्पन्न बताया गया है। ‘प्रोटो-मुंडा’ शब्द का प्रयोग यह संकेत करने के लिए किया गया है कि वैदिक काल तक मुंडा भाषाएँ ऑस्ट्रो-एशियाई भाषाओं के मूल स्वरूप से काफी दूर जा चुकी थीं। मुंडा भाषाओं के “द्रविड़ीकरण” की एक प्रक्रिया चल रही थी, जिसने भारतीय भाषायी संघ (sprachbund) के विकास में योगदान दिया।
प्रोफेसर सी. सी. बर्ग ने सुझाव दिया था कि ऑस्ट्रो-एशियाई व्यंजन-प्रणाली में अपेक्षाकृत कम ध्वनिमूल (phonemes) थे, किन्तु उनके उच्चारण के अनेक संभावित रूप थे। उदाहरण के लिए निम्न ध्वनियाँ मूलतः एक ही ध्वनिमूल का निर्माण करती थीं—
d/t, dh/th, r, j/c, s, d./t., d.h/t.h, r., z./s. = y = l …
संताली भाषा में तुकान्त शब्दों के प्रमाण मिलते हैं, जैसे— but.ra, gut.ra; dun.d.ga, mun.d.ga — जो समानार्थी शब्दों में भिन्न प्रारम्भिक कण्ठ्य, दन्त्य और ओष्ठ्य ध्वनियों की व्याख्या कर सकते हैं।
प्रारम्भिक ऑस्ट्रिक से प्राप्त एक अन्य प्रोटो-मुंडा विशेषता है धातु के व्यंजनों का नासिकीकरण और पूर्व-नासिकीकरण। इस प्रकार ba-da (wa-da) परिवर्तित होकर ba-nda, ba-na, ma-da, ma-nda, ma-na बन सकता है।
स्वरध्वनियाँ भी अधिकांशतः परस्पर विनिमेय हैं। नवीन इंडो-आर्य शब्दावली का एक बहुत बड़ा भाग (मान लें लगभग 40%) मुंडा भाषाओं से उधार लिया गया है— कभी संस्कृत और प्राकृत के माध्यम से, कभी केवल प्राकृत के माध्यम से, और कभी सीधे मुंडा भाषाओं से।
दक्षिण द्रविड़ भाषाओं के विस्तृत और देखने में स्वदेशी प्रतीत होने वाले शब्द-परिवार भी प्रोटो-मुंडा मूल के हैं। वैदिक तथा उत्तरवर्ती संस्कृत में ग्रहण किए गए शब्दों को प्रायः आर्यीकृत अथवा संस्कृतीकृत कर दिया गया है।
“पूर्व-वैदिक काल से ही द्रविड़, मुंडा और आर्य भाषाओं के बीच गहन पारस्परिक संबंधों को देखते हुए, यहाँ तक कि व्यक्तिगत व्युत्पत्तिगत प्रश्नों का भी यदि फलदायी अध्ययन करना हो, तो उन्हें अखिल-भारतीय दृष्टिकोण (Pan-Indic point of view) से देखना आवश्यक होगा। आशा है कि यह कार्य भारतीय भाषाओं की उस सर्वसमावेशी दृष्टि तक पहुँचने में सहायक होगा, जो इन अध्ययनों का अंतिम लक्ष्य है।”
संस्कृत में मुंडा शब्दसमूह (Munda Etyma, संपादक डी. स्टैम्पे, परिशिष्ट)
[एफ. बी. जे. क्यूपर, Proto-Munda Words in Sanskrit, एम्स्टर्डम, Verhandeling der Koninklijke Nederlandsche Akademie Van Wetenschappen, साहित्य विभाग, नई श्रृंखला, खंड LI, संख्या 3, 1948]
Santali belongs to the agglutinative class of language, hence nearly every syllable is word, and every word is sentence.
Information about notable Santali language researchers, linguists, and contributors will be listed here.
Links to Santali language resources, books, dictionaries, and research papers will be available here.
No posts yet. Be the first to share!
Loading profile...
Loading members...